যার জন্য বাড়ির সকলের বিরুদ্ধে যাওয়া, যার জন্য এত দিনের পারিবারিক সম্পর্ককে ছিন্ন করা, যাকে ভালোবেসে বাকি সমস্ত সম্পর্ককে অস্বীকার করা সেই মানুষটার সঙ্গেও বিচ্ছেদ হয়। যে নয়না একদিন সব কিছুকে অগ্রাহ্য করে শুভমের হাত ধরে জলপাইগুড়ি থেকে চলে এসেছিল কলকাতায় সে আজ কেন মিউচ্যুয়াল ডিভোর্স চায়? ভালোবাসার বিয়েরও ডিভোর্স হয় মাত্র ছয়মাসের ব্যবধানে? বিচ্ছেদের কালো ছায়ায় ঢাকা পড়ে যায় ভালোবাসার রঙিন দিনগুলো।
আইনি লড়াই নয়, শুভমকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে অপমান নয়, ৪৯৮ নয় শুধুই নিস্কৃতি চায় নয়না এ বন্ধন থেকে। খোরপোষ চায় না নয়না, শুধু চায় শুভমের থেকে দূরে থাকতে। উকিল রণজিৎ চৌধুরীকে লোকে হেরো উকিল বলে। কারণ আজ অবধি সে একটাও কেস জিততে পারেনি। নয়নার উকিল রণজিৎ চৌধুরীর জন্যই কি হেরে যাবে নয়না?
শুভম কেন ডিভোর্স চায় না? তবে কিসে ভালোবাসে নয়নাকে? মানুষের মনের মত জটিল মনস্তত্ব বোধহয় আর কোথাও নেই। বিশ্বাস ভাঙতে সময় লাগে না একটুও। সম্পর্ক জোড়া লাগানোর
চাবিকাঠি কি আদৌ আছে শুভমের কাছে? নয়নার নিজের পরিবারও আজ আর ওর পাশে নেই।
একইভাবে অন্যদিকে ফল্গুনদীর মত আরেকটি গল্প বয়ে নিয়ে চলেছে “সে ছিল অন্তরালে” উপন্যাসটি। যেখানে শেখর চৌধুরী, রেখা চৌধুরী, মৃণালিনীর সমীকরণও ধোঁয়াশায় ঢাকা। অন্তরালে ঠিক কী আছে জানার জন্যই এ উপন্যাসের প্রতিটা চরিত্রের সঙ্গে পরিচয় করতে হবে আপনাকে।
এ উপন্যাস মানুষের অন্তরের গোপন দ্বন্দ্বের সন্ধান দেবে আপনাকে। মুখোশের আড়ালের মানুষদের চিনতে সাহায্য করবে। একই মানুষের কতরকম রূপ হয় সেটাই দেখাবে “সে ছিল অন্তরালে।”



Reviews
There are no reviews yet.