পড়ে শেষ করলাম সাথী দাস দিদির ‘সহবাস’।
প্রধান চরিত্র—অনুমেঘা।
পেশায় স্কুল শিক্ষিকা, কিন্তু মনের মধ্যে অনেক না-বলা কথা নিয়েই তার দিন কেটে যায়। এমন সময় তার জীবনে আসে একটি বই এবং সেই সূত্রে তার লেখক উজান। কোথাও গিয়ে অনুমেঘা নিজেকে চিনতে পারে তার লেখার ভাষায়। তারপর তাদের কাকতালীয় দেখা এবং একটি সম্পর্কের গড়ে ওঠা।

লেখিকা আরেক চরিত্র ‘বর্ষণ’-কেও খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয় অনেকেই এই চরিত্রটির সাথে একাত্ম হতে পারবেন। কোনটা ভুল আর কোনটা ঠিক, সেই বিচারের ভার লেখিকা পাঠকের ওপরেই ছেড়ে দিয়েছেন। কারণ কোনো চরিত্রের প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখালেই তাদের স্বাধীনতা খর্ব হতো।
সহবাস কি আদতেই শুধু একটি মানুষের সাথে একটা ছাদের তলায় থাকা? আপন করা মানেই কি কেবল তাই?
দিনের শেষে সবাই স্বাধীন, সবাই নিজেদের মনকে বিশ্বাস করেছে।
উজান আর বর্ষণের সংলাপটা আমার খুব ভালো লেগেছিল। আমরা সবসময় ভাবি আমরাই সবকিছু করতে সক্ষম হব, কিন্তু সেটা কি আদৌ করতে পারি?
(ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়েছিল অনুমেঘা আর উজানের দেখা হওয়ার পর্বটা আরেকটু স্বাভাবিক হলে ভালো হতো। শুরুর দিকে তাদের সংলাপগুলোও কিছু জায়গায় একটু অতিরিক্ত লেগেছে।)
স্পয়লার দিতে চাই না, যতটা সংক্ষেপে পারা যায় মূল ভাবটা লিখলাম। আপনারাও আপনাদের মতামত জানাবেন।




