লাদাখের পূর্ব প্রান্তে, মাইনাস কুড়ি ডিগ্রির মৃত্যুশীতল রুকথাল পোস্ট। সীমান্তের ওপারেই চিন। আর সেই বরফঢাকা অন্ধকারে জন্ম নেয় এক ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র। চিন সরকারের মদতে ভারতবিরোধী গোপন সংগঠন ‘ক্রিমসন ব্যানার’, পাকিস্তানের আইএসআই-কে সঙ্গে নিয়ে অপহরণ করে চব্বিশ জন ভারতীয় সেনাকে।
কার্গিল যুদ্ধের ক্ষত বুকে নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিশোধস্পৃহায় জ্বলতে থাকা আব্বাস জাহিদীর প্রশিক্ষিত এজেন্ট তাও ফেং ও মিং ওয়ে চালায় সেই হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার অপরেশন। অপহৃত সেনাদের নিয়ে যাওয়া হয় চিনের নিষিদ্ধ নিউরাল রিসার্চ ল্যাবে, যেখানে ব্রেন-স্ক্যানিং, নিউরাল ম্যানিপুলেশন ও সাইকোট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণ দখলের চেষ্টা চলে। কিন্তু ভারত মাথা নত করে না। শুরু হয় ইতিহাসের অন্যতম ভয়ঙ্কর গোপন সামরিক অভিযান, ‘অপরেশন রক্ততুষার’।
স্যাটেলাইট নজরদারি, কোয়ান্টাম এনক্রিপ্টেড কমিউনিকেশন, ড্রোন সোয়ার্ম ও স্পেশাল ফোর্সের মরণপণ অভিযানে একে একে ভেঙে পড়ে ক্রিমসন ব্যানারের দুর্গ। তুষারের বুক চিরে ফিরে আসে চব্বিশ জন ভারতীয় সেনা।
এ শুধু এক রুদ্ধশ্বাস থ্রিলার নয়। এ কাহিনি দেশের কথা বলে, সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা অদৃশ্য বীরদের কথা বলে। দেশকে ভালবাসার, দেশের জন্য শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার মন্ত্রে দীক্ষিত। হতে শেখায় এই উপন্যাস।



Reviews
There are no reviews yet.